Notice :
Welcome To Our Website...
স্বপ্ন পূরণ ,, টরনটোয় আনন্দ, বাংলাদেশ বিমান আসবে ২৭ মার্চ

স্বপ্ন পূরণ ,, টরনটোয় আনন্দ, বাংলাদেশ বিমান আসবে ২৭ মার্চ

মোশাররফ হোসেন: অবশেষে প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে। ২৭ মার্চ সকাল ৭টায় বাংলাদেশ বিমান কানাডার টরনটোয় পৌছাবে। ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ২৬ মার্চ বিকেলে উড্ডয়ন করে ইউরোপের যুদ্ধের কারণে কিছুটা ঘুরে ১৮ ঘন্টা পর টরনটো পিয়ারসন বিমান বন্দর, (ওয়াই ওয়াই জেড ) এর মাটিতে সকাল ৭টায় পৌছাবে বলে আশা করছে বাংলাদেশ বিমান কতৃপক্ষ।

একই পথে ২৯ মার্চ সকাল ১০ টায় টরনটো পিয়ারসন বিমান বন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বাংলাদেশ বিমান বহরের ডিরিম লাইনার ৭৮৭ পরীক্ষামূলক এ যাত্রায় ৩৬ জন যাত্রীর সংগে বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী মাহবুব আলীসহ অন্যান্যরা টরনটো যাবেন।

বিমান মার্কেটিং সূত্রে জানা গেছে এখন পর্যন্ত বিমান ভাড়া করা হয়েছে ইকনমি শ্রেণী ৭৫ হাজার ৮০০ টাকা, বিজনেস শ্রেণী ১ লক্ষ ১১ হাজার টাকা। ঢাকা থেকে সপ্তাহে ৩দিন ও টরনটো থেকে ৩দিন বিমান চলাচলের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার । তালিকায় থাকছে বাঙালির মুখ রোচক খাবার। আগামী জুন মাসে নিয়মিত চলাচল শুরু হলে ভাড়া চূড়ান্ত করা হবে। যাত্রা বিরতি কিংবা সরাসরি উড্ডয়ন ক্ষেত্রে ১৪ থেকে ১৮ ঘন্টা সময় লাগবে। এসব বিষয় চূড়ান্ত করা হবে শীঘ্রই।

এখানে উললেখখো কানাডা সরকারের সহযোগিতায় বাংলাদেশ বিমান পিয়ারসন বিমান বন্দর ব্যবহার করার অনুমতি পেয়েছে বেশ আগে। এয়ার কানাডার সংগে চুক্তি হলে আগামীতে নিউইয়র্ক যাবার চেষ্টা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

কানাডায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য

আপনারা অনেকেই অবগত আছেন যে, আমাদের ৫১তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বিমানের ঢাকা-টরোন্টো ফ্লাইটের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে। এটি আমাদের দেশের জন্য একটি সাফল্য, গৌরবের বিষয় ও বড় প্রাপ্তি। বাংলাদেশের পতাকাবাহী বিমান কানাডার মাটিতে আসবে এটা প্রতিটি বাংলাদেশীর জন্য অত্যন্ত গর্বের ও আনন্দের। আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন যে মধ্য প্রাচ্যের একটি নামকরা এয়ার লাইনসও এখন পর্যন্ত টরোন্টো আসার অনুমতি পায়নি। বিমানের টরোন্টো রুটে চলাচল নিশ্চিত করার জন্য বেশ কিছু বিষয়ে কানাডার সরকার আমাদের প্রতি উদারতা দেখিয়েছেন। এটি বাংলাদেশের প্রতি কানাডার ইতিবাচক মনোভাবের লক্ষন। আপনাদের সবারই এতে কৃতিত্ব আছে। এজন্য আমি আপনাদের সবাইকে ও কানাডার সদাসয় সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।

আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করি কিভাবে এই রুটে বিমানকে লাভজনক করা যায়, বিমানের যাত্রী সেবার মান বাড়ানো যায় এবং সর্বোপরি বিমানের একটি যোগ্য, সৎ, দক্ষ ও জবাবদিহি মূলক লোকাল অফিস তৈরী করা যায়। এটি করতে আমরা সবাই এগিয়ে আসতে পারি। এই প্রচেষ্টায় আপনাদের সবার সাহায্য ও ইতিবাচক অংশগ্রহন কামনা করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved © 2017 doorbin24.Com