Notice :
Welcome To Our Website...
সবজির বাজার ঊর্দ্ধমুখী

সবজির বাজার ঊর্দ্ধমুখী

বিশেষ প্রতিনিধি : রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় আলুসহ সকল ধরনের শাক ও সবজির বাজারে উচ্চ মূল্যের কারণে খেটে খাওয়া মানুষসহ ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ ক্রেতারা। বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছেন উপজেলার ছিন্নমুল মানুষজনসহ সকল স্তরের ক্রেতারা।

জানা যায়, তারাগঞ্জ উপজেলার সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে খ্যাত তারাগঞ্জ বাজার। এ বাজার থেকেই মূলত কাচামাল সহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ হয়ে থাকে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারগুলোতে। কিন্তু উপজেলার বড় এই বাজারটিতেই সকল ধরনের কাচামালের বিক্রয়মুল্য ঊর্দ্ধমুখী হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছে উপজেলার সকল স্তরের ভোক্তাগণ।

তারাগঞ্জ বাজারের কাচাবাজারে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সরকারি নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে প্রকার ভেদে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে। বেগুন প্রতি কেজি ৩৫-৪০ টাকা, মুলা প্রতি কেজি ৩০-৩৫ টাকা, পটল ৬০ টাকা, মাঝারি সাইজের প্রতি পিস লাউ ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, ফুলকপি প্রতি ৯০ থেকে ১০০ টাকা, করলা ৭০ টাকা, শিম ৭৫ টাকা, কাচামরিচ ১৮০ টাকা, গাজর ১২০ টাকা, দেশি পেয়াজ ১১০ টাকা, ভারতীয় পেয়াজ ৮০ টাকা, ধনে পাতা ৮০ টাকা, লালশাক ও লাউশাক ৩৫ টাকা।

তারাগঞ্জ বাজারে কাচাবাজার করতে আসা উপজেলার ইকরচালী ইউনিয়নের বিশ্বনাথ, রফিকুল, ছাবেদ আলী বলেন, শীতকালীন শাকসবজি বাজারত উঠা শুরু হয়া গেইছে কয়েক সপ্তাহ আগোতে, তাও যদি জিনিসের দাম এতো থাকে তাইলে কেমন করি সংসার চালামো। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তারাগঞ্জ বাজারের একজন কাচাবাজার ব্যবসায়ী বলেন, আমরা নিজেরাও মহাজনের কাছ থেকে বেশি দামে মালামাল নিয়ে আসতেছি। আবার দোকান পর্যন্ত নিয়ে আসার খরচ আছে। সেসব খরচ তো আমাদের ধরতে হবে। এরকম দামে কাচামাল না বিক্রি করলে আমাদের তো লসের মুখে পড়তে হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি অফিসার উর্মি তাবাসসুম বলেন, তারাগঞ্জ উপজেলায় খাবার আলুর যে চাহিদা তার থেকেও বেশি পরিমাণে আলু এ উপজেলায় উৎপাদিত হয়। তারপরও এখানে আলুর উচ্চ মূল্য। আর অন্যান্য শাক সবজিও এ উপজেলায় পর্যাপ্ত পরিমাণে চাষ হয়। তারপরও কেন এতো উচ্চমূল্য তা আমার জানা নেই। তবে এতটুকু বলতে পারি কাচাবাজারের যে এই উচ্চমূল্য তা কিন্তু কৃষকরা পায় না। তবে খাদ্য পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ কৃষি অফিসের আওতায় নয়, তাই খাবার আলুর উচ্চ মূল্যের ব্যাপারে আমার কিছু বলা সম্ভব নয়।

তবে ইউএনও আমিনুল ইসলাম বলেন, অফ সিজন থাকায় কিছু কিছু সবজির চড়া দাম চলছে। তবে আলুর মূল্য নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের কার্যক্রম চলছে। আশা করছি কয়েক দিনের মধ্যেই উপজেলার প্রতিটি বাজারে আলুর মূল্য নিয়ন্ত্রণ হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved © 2017 doorbin24.Com