Notice :
Welcome To Our Website...
শেখ হাসিনার প্রশংসায় জাপানের উপ-প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জাপানের উপ-প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : দু’দেশের মধ্যে বিদ্যমান অটুট বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন জাপানের সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী তারো আসো।

জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমদ সম্প্রতি দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী তারো আসোর সঙ্গে তার দফতরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

রাষ্ট্রদূত আহমদ উপ-প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং দেশটিতে দায়িত্ব পালনকালে তার সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের বন্ধুসুলভ সহযোগিতার জন্য জাপান সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি আশা প্রকাশ করেন সহযোগিতা উত্তরোত্তর আরও বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া তারা বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে জাপানি সহযোগিতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার, করোনা মহামারি প্রতিরোধসহ দু’দেশের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।

রোহিঙ্গা সমস্যার কথা তুলে এ সময় তারো আসো ১০ লাখের বেশি আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের উদারতার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং এ সমস্যা সমাধানে জাপানের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার আশ্বাস দেন।

রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমদ তার আশ্বাসের প্রেক্ষিতে ধন্যবাদ জানিয়ে জাপান এবং মিয়ানমারের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে সম্মানজনকভাবে ফেরত নেয়ার জন্য মিয়ানমারকে রাজী করাতে কাজ করার জন্য তাকে অনুরোধ জানান।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে ধাবমান। বর্তমানে দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগের সুন্দর পরিবেশ বিদ্যমান। এছাড়া সরকার বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করছে মর্মে রাষ্ট্রদূত জাপানের অর্থমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

রাষ্ট্রদূত দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘রূপকল্প-২০২১’ অনুযায়ী বাংলাদেশ ইতোমধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার সকল যোগ্যতা অর্জন করেছে এবং ‘রূপকল্প-২০৪১’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্র হিসাবে গড়ে উঠবে। বাংলাদেশের এ লক্ষ্য পূরণে তিনি জাপানের সর্বাত্মক সহায়তা কামনা করেন।

উপ-প্রধানমন্ত্রী তারো আসো এ সময় জাপানের দীর্ঘতম সময়ের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে শিনজো আবের সফলতার কথা তুলে ধরে বলেন, উন্নয়ন ধরে রাখার জন্য উন্নয়ন পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে প্রণীত নীতি ও কৌশলের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

সাক্ষাতে দূতাবাসের মিনিস্টার ড. জিয়াউল আবেদীন ও কমার্শিয়াল কাউন্সিলর ড. আরিফুল হক উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved © 2017 doorbin24.Com