Notice :
Welcome To Our Website...
সর্বশেষ সংবাদ
বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংস্কৃতি : সবার উপরে দেশ ও জনগন ১৫ আগস্টের হত্যাকান্ড মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ : তথ্যমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু সারাবিশ্বের নিপীড়িত বঞ্চিত মানুষের নেতা : এনামুল হক শামীম নারী ক্রিকেটের প্রথম এফটিপিতে ৫০ ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমাদের রক্তের সম্পর্ক : সোহেল তাজ আজ জাতীয় শোক দিবস: শোক হোক শক্তি যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারন প্রকল্প ২০২৭ সালে চালু হবে চৌগাছা বাস মালিক সমিতির সময় নির্ধারণ কাউন্টারে হামলায় গণপরিবহন বন্ধ চিটাগাং এসোসিয়েশন অব কানাডা ইনক এর বনভোজন : হাজার মানুষের ঢল , আনন্দ বন্যা ,, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা তাঁতীলীগের সভাপতি মাসুদ, সম্পাদক মনির
বসানো হলো পদ্মা সেতুর ৩৩তম স্প্যান

বসানো হলো পদ্মা সেতুর ৩৩তম স্প্যান

পদ্মা সেতুর ৩৩তম স্প্যান সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ১২ টায় বসানো হয়েছে। এর ফলে সেতু দৃশ্যমান হলো ৪ হাজার ৯শ মিটার।

মাত্র ৮ দিনের ব্যবধানে পদ্মা সেতুর ৩৩তম স্প্যান সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ১২ টায় বসে গেছে। ‘১সি’ নামের এই স্প্যান মাওয়া প্রান্তের ৩ ও ৪ নম্বর খুঁটির ওপর সফলভাবে স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে সেতুর দৃশ্যমান হলো ৪ হাজার ৯শ মিটার।

পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান মো: আব্দুল কাদের জানান, সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্প্যানটি নিয়ে রওনা দেয় প্রায় ৯ শ’ মিটার দূরের ৩ ও ৪ নম্বর খুঁটির কাছে। পরে দুপুর ১২টায় এটি খুঁটির ওপর বসানো হয়। এর আগে গত ১১ অক্টোবর স্থাপন করা স্প্যানটির পাশেই এটি বসানো হয়।

চলতি মাসে আরো দুইটি অর্থাৎ ২৫ অক্টোবর ৩৪তম এবং ৩০ অক্টোবর ৩৫তম স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। যে ৮টি স্প্যান রয়েছে তা চলতি বছরের মধ্যেই খুঁটিতে বসানোর টার্গেট নিয়েই কাজ চলছে। এখন স্প্যানও প্রস্তুত তাই খুঁটিতে বসিয়ে দেয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

এছাড়া বসানো স্প্যানগুলোতেও স্লাব বসানোর কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। এ পর্যন্ত সেতুর উপরের তলায় রোডওয়ে স্লাব বসানো হয়ে গেছে ১ হাজার ৭৬টি। আর রেলওয়ে স্লাব বসেছে ১ হাজার ৫শ ৯০টি।

৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি দ্বিতল হবে, যার ওপরে থাকবে সড়কপথ ও নিচের অংশে থাকবে রেলপথ। সেতুর এক খুঁটি থেকে আরেক খুঁটির দূরত্ব প্রায় ১৫০ মিটার। একেকটি খুঁটি ৫০ হাজার টন লোড নিতে সক্ষম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসিকতায় নিজস্ব অর্থায়নে ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। মূলসেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদী শাসনের কাজ করছে চীনের ‘সিনো হাইড্রো কর্পোরেশন’।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved © 2017 doorbin24.Com