Notice :
Welcome To Our Website...
সর্বশেষ সংবাদ
বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংস্কৃতি : সবার উপরে দেশ ও জনগন ১৫ আগস্টের হত্যাকান্ড মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ : তথ্যমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু সারাবিশ্বের নিপীড়িত বঞ্চিত মানুষের নেতা : এনামুল হক শামীম নারী ক্রিকেটের প্রথম এফটিপিতে ৫০ ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমাদের রক্তের সম্পর্ক : সোহেল তাজ আজ জাতীয় শোক দিবস: শোক হোক শক্তি যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারন প্রকল্প ২০২৭ সালে চালু হবে চৌগাছা বাস মালিক সমিতির সময় নির্ধারণ কাউন্টারে হামলায় গণপরিবহন বন্ধ চিটাগাং এসোসিয়েশন অব কানাডা ইনক এর বনভোজন : হাজার মানুষের ঢল , আনন্দ বন্যা ,, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা তাঁতীলীগের সভাপতি মাসুদ, সম্পাদক মনির
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার আধুনিক রূপই ডিজিটাল বাংলাদেশ’

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার আধুনিক রূপই ডিজিটাল বাংলাদেশ’

ওয়ার্ল্ড টিচার্স ডে এন্ড আওয়ার’স চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক ওয়েবিনার। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির (বিডিইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ড.মুনাজ আহমেদ নূর বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার আধুনিক রূপই ডিজিটাল বাংলাদেশ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ না নিলে আজকে আমরা প্রযুক্তিতে এতদূর এগিয়ে যেতে পারতাম না।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি কর্তৃক আয়োজিত ‘ওয়ার্ল্ড টিচার্স ডে এন্ড আওয়ার’স চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর বলেন, এখন বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা ভোগ করছে, ৬০ শতাংশের বেশি মানুষ মোবাইল ইন্টারনেট সেবা ভোগ করছে এবং শহর এলাকাতে ৮০ শতাংশ মানুষ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করছে। যা গত ১১ বছরের সবচেয়ে বড় অর্জন। সে কারণে আমরা আশা করছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশে পরিণত হবো।

তিনি বলেন, বিশ্ব এখন জোর পায়ে এগিয়ে যাচ্ছে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের দিকে। বাংলাদেশও রয়েছে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের দ্বারপ্রান্তে, এই চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সুযোগ্য পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় এই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছেন। যার কারণে এই বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

উপাচার্য আরও বলেন, আমরা চতুর্থ শিল্প বিপ্লব উপযোগী (ইন্টারনেট অব থিংস, আইসিটি ইন এডুকেশন)প্রোগ্রামগুলোর মাধ্যমে আমাদের শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি। ইতিমধ্যে বিগ ডেটা অ্যানালাইসিস এন্ড ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম চালু করার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ অথরিটি (সিন্ডিকেট)অনুমোদন দিয়েছে।ধীরে ধীরে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, রোবটিক্স, মেকাট্রনিক্সসহ চতুর্থ শিল্প বিপ্লব উপযোগী প্রোগ্রামগুলো এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল পাঠ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর বলেন, এই করোনার সময়ে বিশ্ব একটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্যদিয়ে যাচ্ছে। এই কঠিন পরিস্থিতিতে আমাদের শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে উৎসাহিত করতে আমারা অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।

ওয়েবিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন, কানাডার আঠাবাসকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ররি ম্যাকগ্রিল, আয়ারল্যান্ডের ডাবলিন সিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর মার্ক ব্রাউন এবং কমনওয়েলথ লার্নিং কানাডা এর ড.সানজায় মিশ্রা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved © 2017 doorbin24.Com