Notice :
Welcome To Our Website...
বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের ফসল স্বাধীন বাংলাদেশ : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের ফসল স্বাধীন বাংলাদেশ : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্ব ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের ফসল আজকের স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, ‘বীর মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়টা ভীষণ গর্বের, সম্মানের। বঙ্গবন্ধুর মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ শুনেই মুক্তিযোদ্ধারা নিজের জীবনের মায়াকে তুচ্ছ করে দেশমাতৃকাকে শত্রুমুক্ত করতে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন বঙ্গবন্ধু ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে জ্বলজ্বল করবে।’

প্রতিমন্ত্রী আজ গাজীপুর শহরের বঙ্গতাজ অডিটোরিয়ামে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পরিবার ও বীর মুক্তিযোদ্ধাগণকে সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সরকার ভাতা প্রদানসহ বীর-নিবাস নির্মাণ করে দিচ্ছে।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সুযোগ-সুবিধা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। সম্মানী ভাতা বৃদ্ধি, উৎসব ভাতা, ফ্রি চিকিৎসা সেবা, যাতায়াত সুবিধাসহ বিদ্যুৎ, পানি গ্যাস, বিল পর্যন্ত মওকুফ করা হয়েছে। যাদের জমি আছে, ঘর নেই তাদের ঘর করে দেয়া হচ্ছে। আবার যাদের জমি ঘর কিছুই নেই তাদের জন্য সরকার খাসজমিতে বাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। শুধু জীবদ্দশায় নয়, একজন মুক্তিযোদ্ধা মৃত্যুর পরও যেন যথাযোগ্য সম্মান পান এবং তাদের সমাধিটি যাতে যথাযথভাবে সংরক্ষিত থাকে তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

তিনি বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সশ্রদ্ধ সালাম ও বিন¤্র শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, সুদীর্ঘ ২৪ বছর জেল-জুলুম-অত্যাচার সহ্য করেও বঙ্গবন্ধু বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অবিচল ছিলেন। তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছেন। সে জন্যই আজ বাঙালি জাতি বিশ্বের বুকে সগৌরবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছে।

জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশের যে উন্নয়ন ও অগ্রগতি তা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত। আজকের বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের কাতার থেকে বের হয়ে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে। মুজিববর্ষে নয় লক্ষ গৃহহীন-ভূমিহীন মানুষকে মাথা গোঁজার ঠাঁই দিয়ে অনন্য নজির স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য শামসুন্নাহার, জেলা প্রশাসক এস এম তরিকুল ইসলাম, পুলিশ কমিশনার খন্দকার লুতফুল কবির, মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি আজমত উল্লাহ খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সাত্তার মিয়া, মহানগর আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আলিম উদ্দিন ও মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আতাঊল্লা মন্ডল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 doorbin24.Com