Notice :
Welcome To Our Website...
সর্বশেষ সংবাদ
বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংস্কৃতি : সবার উপরে দেশ ও জনগন ১৫ আগস্টের হত্যাকান্ড মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ : তথ্যমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু সারাবিশ্বের নিপীড়িত বঞ্চিত মানুষের নেতা : এনামুল হক শামীম নারী ক্রিকেটের প্রথম এফটিপিতে ৫০ ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমাদের রক্তের সম্পর্ক : সোহেল তাজ আজ জাতীয় শোক দিবস: শোক হোক শক্তি যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারন প্রকল্প ২০২৭ সালে চালু হবে চৌগাছা বাস মালিক সমিতির সময় নির্ধারণ কাউন্টারে হামলায় গণপরিবহন বন্ধ চিটাগাং এসোসিয়েশন অব কানাডা ইনক এর বনভোজন : হাজার মানুষের ঢল , আনন্দ বন্যা ,, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা তাঁতীলীগের সভাপতি মাসুদ, সম্পাদক মনির
নতুন বছরে হচ্ছে না বই উৎসব

নতুন বছরে হচ্ছে না বই উৎসব

নতুন বছরের বই উৎসব নিয়ে আগে থেকেই শঙ্কা ছিল। বৃহস্পতিবার এলো চূড়ান্ত ঘোষণা।
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, করোনার সংক্রমণ এড়াতে নতুন বছরের শুরুতে স্কুলগুলোতে বই উৎসব হবে না। তবে যথা সময়ে শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ভার্চুয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি। ব্রিফিংয়ে শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলও উপস্থিত ছিলেন।
আরও জানানো হয়, ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ছে।
২০১০ সাল থেকে প্রতি বছর সরকার ১ জানুয়ারি জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্‌যাপন করে আসছে বই উৎসব।
কিন্তু এ বছর কার্যাদেশ না দিতে পারায় সময়মতো বই ছাপার কাজ শেষ না হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয় আগেই। পাশাপাশি করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের জড়ো করে অন্যান্যবারের মতো বই বিতরণের আয়োজনটি নিয়েও ছিল শঙ্কা।
কয়েক দিন আগে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টরা জানান, এবার উৎসব বাতিল করা হতে পারে অথবা সীমিত পরিসরে আয়োজন করা হতে পারে। তবে অন্যবারের মতো স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ না থাকার আশঙ্কাই বেশি।
এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেছিলেন, “সকলের সহযোগিতার মাধ্যমেই আমরা যথাসময়ে কাজ শেষ করতে চাই। আমাদের মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা রয়েছে। আমরা আশাবাদী, ডিসেম্বরের মধ্যেই কাজ শেষ করতে পারব।”

এনসিটিবি সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী শিক্ষাবর্ষে প্রথম থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণের জন্য প্রায় ৩৫ কোটি বই ছাপা হচ্ছে। এর মধ্যে ১০ কোটি ২৫ লাখ ৮২ হাজার ৫৫৫টি প্রাথমিক স্তরের। আর মাধ্যমিক, দাখিল ও ইবতেদায়ি স্তরের ২৪ কোটি ৪১ লাখ। ৫ থেকে ৮ অক্টোবরের মধ্যে প্রাথমিকের বই ছাপার কার্যাদেশ পেয়েছে মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। মাধ্যমিকের বই ছাপার কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে অক্টোবরের মাঝামাঝিতে।

প্রতি বছর অক্টোবরের মধ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের অন্তত ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে যায়। কিন্তু ২৩ অক্টোবরের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, তখন পর্যন্ত উপজেলা পর্যায়ে প্রাথমিকের বই পাঠানো হয়েছে মাত্র ১৫-২০ শতাংশ। এদিকে মাধ্যমিকের বই ছাপার কাজ গেল কয়েক দিন হলো শুরু করেছে মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। হাতে খুবই অল্প সময় থাকলেও মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নানা ধরনের অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে বলছে, এতে তাদের কাজ ব্যাহত হচ্ছে। এ অবস্থায় ডিসেম্বরের মধ্যে বইয়ের কাজ শেষ করা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved © 2017 doorbin24.Com