Notice :
Welcome To Our Website...
সর্বশেষ সংবাদ
বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংস্কৃতি : সবার উপরে দেশ ও জনগন ১৫ আগস্টের হত্যাকান্ড মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ : তথ্যমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু সারাবিশ্বের নিপীড়িত বঞ্চিত মানুষের নেতা : এনামুল হক শামীম নারী ক্রিকেটের প্রথম এফটিপিতে ৫০ ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমাদের রক্তের সম্পর্ক : সোহেল তাজ আজ জাতীয় শোক দিবস: শোক হোক শক্তি যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারন প্রকল্প ২০২৭ সালে চালু হবে চৌগাছা বাস মালিক সমিতির সময় নির্ধারণ কাউন্টারে হামলায় গণপরিবহন বন্ধ চিটাগাং এসোসিয়েশন অব কানাডা ইনক এর বনভোজন : হাজার মানুষের ঢল , আনন্দ বন্যা ,, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা তাঁতীলীগের সভাপতি মাসুদ, সম্পাদক মনির
দুই নবজাতকের লাশ নিয়ে হাইকোর্টে বাবা

দুই নবজাতকের লাশ নিয়ে হাইকোর্টে বাবা

নিজস্ব প্রতিবেদক : দুই নবজাতকের চিকিৎসার জন্য তিনটি হাসপাতালে গিয়েছিলেন বাবা। কিন্তু কোনো হাসপাতালে মেলেনি চিকিৎসা। মারা যায় দুই প্রিয় সন্তান। শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচার পেতে সন্তানের লাশ নিয়ে হাইকোর্টে যান বাবা।
 
সোমবার সকালে জমজ দুই সন্তানের লাশ নিয়ে বাবা আবুল কালাম আজাদ আদালত চত্বরে যান। এরপর বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ বিষয়টি নজরে আনলে আদালত রুল জারি করেন।
 
রুলে চিকিৎসা অবহেলায় বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চেয়েছেন। এছাড়া তিন হাসপাতালের তিন পরিচালকের কাছে কেন দুই শিশুকে ভর্তি করা হয়নি তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
 
হাসপাতালগুলো হলো- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল, ঢাকা শিশু হাসপাতাল ও মুগদা ইসলামিয়া হাসপাতাল।
 
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক বলেন, সোমবার সকালে সুপ্রিম কোর্টের এমএলএসএস আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী সায়েরা খাতুনকে মুগদা হাসপাতাল নেওয়ার পথে সিএনজির মধ্যে দুটি সন্তান প্রসব করেন।
 
এ সময় তারা প্রসূতিকে ইসলামিয়া হাসপাতালে ভর্তি করে। পর্যাপ্ত চিকিৎসা সুবিধা না থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নবজাতকদের শ্যামলীর ঢাকা শিশু হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলে।
 
এরপর নবজাতকদের নিয়ে শ্যামলীতে ঢাকা শিশু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বেডে ভর্তি করতে প্রতি বাচ্চার জন্য ৫ হাজার করে টাকা চাওয়া হয়। টাকা না থাকায় বাচ্চা দুটিকে ভর্তি করা হয়নি।
 
এ সময় আবুল কালাম আজাদ হাইকোর্টের এক বিচারপতির সঙ্গে কথা বলেন। বিচারপতি নবজাতকদের বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালে নিয়ে যেতে বলেন। পরে তিনি বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালে নিয়ে আসেন এবং পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন।
 
কিন্তু পরিচালকের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা তাকে জানান পরিচালক মিটিংয়ে আছেন। দীর্ঘ সময় পর জানানো হয় পরিচালক বাসায় চলে গেছেন।
 
এরপর পরিচালকের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা একজন চিকিৎসককে দিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে নবজাতকদের দেখান। তখন সেই চিকিৎসক জানান নবজাতক আর বেঁচে নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved © 2017 doorbin24.Com