Notice :
Welcome To Our Website...
‘ট্যাক্স ফাঁকি’ দিয়েই চলছিল সেই গাড়িটি

‘ট্যাক্স ফাঁকি’ দিয়েই চলছিল সেই গাড়িটি

নিজস্ব প্রতিবেদক : যে গাড়ি থেকে নেমে নৌ-বাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহম্মেদ খানকে মারধর করা হয়েছিল সেটির ফিটনেস ও ট্যাক্স টোকেন হালনাগাদ নেই। অথচ ‘সংসদ সদস্য’ স্টিকার লাগিয়ে গাড়িটি রাস্তায় চলাচল করছিল।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) যানবাহনের নিবন্ধন ও ফিটনেস সনদ দেয়ার পাশাপাশি যানবাহনের রোড ট্যাক্সও আদায় করে। সংস্থাটির যানবাহন নিবন্ধন সংক্রান্ত তথ্যের বরাত দিয়ে একটি জাতীয় দৈনিকের খবরে বলা হয়েছে, সাংসদের স্টিকার লাগানো ব্রিটিশ ব্র্যান্ড ল্যান্ড রোভার গাড়িটির ইঞ্জিন ক্ষমতা ২৪৯৫ সিসি। এটি প্রথমে ইউরোপের একটি দেশের দূতাবাসের জন্য আনা হয়েছিল। পরে ২০০৪ সালে দূতাবাস গাড়িটি নিলামে তুললে এটি কিনে নেয় অটোটেক লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান।

কূটনৈতিক মিশন ও আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থার জন্য গাড়ি আনতে শুল্ক লাগে না। তবে বাংলাদেশে আনার পর গাড়িটি বিক্রি করা হলে ক্রেতাকে নিবন্ধনের সময় পুরো শুল্ক পরিশোধ করতে হয়। সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর ২০০৫ সালে গাড়িটির মালিকানা বদল করা হয়।
বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ সাল থেকে এই গাড়ির ফিটনেস সনদ হালনাগাদ নেই। ২০০৫ সাল থেকে রোড ট্যাক্সও দেওয়া হয়নি। এই শ্রেণির গাড়ির বর্তমান রোড ট্যাক্স বছরে ৭৫ হাজার টাকা। এছাড়া প্রতিবছর ফিটনেস সনদও হালনাগাদ করতে হয়; সেটারও ফি আছে। ফিটনেস ও ট্যাক্স টোকেন হালনাগাদ না থাকলে নির্ধারিত হারে জরিমানার বিধান রয়েছে।

বিআরটিএ’র এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, ব্যক্তিগত ব্যবহারের গাড়ি নিবন্ধনের সময় একসঙ্গে পাঁচ বছরের ফিটনেস সনদ দিয়ে দেয়া হয়। এরপর প্রতি বছর একবার করে সনদ নবায়ন করতে হয়। ট্যাক্সও দিতে হয় প্রতি বছর। ২০০৫ সালে গাড়িটির মালিকানা বদলের পর মালিক বিআরটিএর সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেননি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved © 2017 doorbin24.Com