Notice :
Welcome To Our Website...
চিকিৎসক হয়রানির অভিযোগ বিএমএর

চিকিৎসক হয়রানির অভিযোগ বিএমএর

চলমান লকডাউনে দেশের বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা কর্মস্থলে যাওয়ার পথে ‘নিগ্রহ’ ও ‘হয়রানির’ শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন, বিএমএ।

সোমবার সংগঠনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন ও মহাসচিব ডা. মো. ইহতেশামুল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে, এই বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হস্তক্ষেপ চেয়েছে বিএমএ।
পাশাপাশি রোববার রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের ঘটনার দ্রুত তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত এবং বিভাগীয় শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেডিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাঈদা শওকত জেনিকে ‘হেনস্তার’ প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ, স্বাচিপের বিএসএমএমইউ শাখাও।

রোববার এলিফ্যান্ট রোডে পরিচয়পত্র দেখতে চাওয়া নিয়ে ডা. জেনির সঙ্গে পুলিশের তর্ক হয়, যা এক পর্যায়ে উত্তপ্ত বিতন্ডায় রূপ নেয়।

এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ভাইরাল হয় এবং দিনভর এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা হয়।

এ ঘটনার পর সোমবার বিএমএ বিবৃতিতে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধও জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, “চলমান লকডাউন চলাকালীন সময়ে করোনা মোকাবিলায় সম্মুখসারির যোদ্ধা চিকিৎসক ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরা কর্মস্থলে যাওয়ার সময় দেশের বিভিন্ন জায়গায় আইনশৃঙ্খলাবাহিনী কর্তৃক ‘হয়রানি’ ও ‘নিগ্রহের’ শিকার হচ্ছেন। এ ধরনের ঘটনায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা আতঙ্কগ্রস্ত ও হতাশ হয়ে পড়ছেন।“

ওই ঘটনার খবর ও আংশিক ভিডিও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, “নিজ গাড়িতে কর্মরত চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের স্টিকার লাগানো এবং নিজের নামাঙ্কিত চিকিৎসক গাউন পরিহিত অবস্থায় পরিচয় দেওয়ার পরেও তাকে আক্রমণাত্মকভাবে জেরা করে উত্যক্ত ও হেনস্তা করার দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে।

“চিকিৎসকের এতগুলো পরিচয় দেওয়ার পরেও কেবলমাত্র মুভমেন্ট পাস ও প্রাতিষ্ঠানিক আইডি কার্ডের নামে আই্নশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়।“

দেশের বেশিরভাগ চিকিৎসক প্রাইভেট প্র্যাকটিসের সঙ্গে জড়িত উল্লেখ করে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তারা সরকারি বা বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করেন না। ফলে তাদের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক আইডি কার্ড নেই।

দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে হস্তক্ষেপের আহবান করেছে বিএমএ।

এলিফ্যান্ট রোডের ঘটনায় স্বাচিপের বিএসএমএমইউ শাখা পৃথক প্রতিবাদপত্রে চিকিৎসক ‘হেনস্তার’ অভিযোগ করে সংশ্লিস্ট পুলিশদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছে।

স্বাচিপের বিএসএমএমইউ শাখার আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. আবু নাসার রিভজী ও সদস্য সচিব ডা. আরিফুল ইসলাম জোয়ারদার টিটো স্বাক্ষরিত প্রতিবাদলিপিতে এই ঘটনাকে ‘সংবেদনশীল’উল্লেখ করে দায়ি পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে দাবিও জানানো হয়।

মুভমেন্ট পাস: জরিমানা পরিশোধ করতে হবে না সেই চিকিৎসককে

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved © 2017 doorbin24.Com