Notice :
Welcome To Our Website...
সর্বশেষ সংবাদ
নাগরপুরে ৩ দিনব্যাপী ই-নামজারী ও ভূমি সেবা প্রশিক্ষণ শুরু অবশেষে টাঙ্গাইলে ৭ বছরের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষনের মামলায় গ্রেফতার মোহাম (৫০) আমাকে নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ ভিত্তিহীন: শিক্ষামন্ত্রী পুতিনের ওপর ব্যক্তিগত নিষেধাজ্ঞার হুমকি বাইডেনের রাশিয়া নাভালনিকে ‘সন্ত্রাসী ও চরমপন্থীদের’ তালিকাভুক্ত করেছে দখলমুক্ত করা হবে রাজধানীর সকল খাল: তাজুল ধর্মকে ব্যবহার করে বিএনপি কিন্তু ধর্মের জন্য কাজ করেঃ তথ্যমন্ত্রী বিএনপি’র রাজনীতিতে এখন ঘোর দুর্দিন চলছে : ওবায়দুল কাদের মেসি পোপের কাছ থেকে ছোট ক্লাবের জার্সি উপহার পেলেন আইসিসি ভারতকে জরিমানা, সঙ্গে পয়েন্টও কেটে নিল
গভীর সমুদ্রে মাছ ধরবে সরকার, খরচ ৬১ কোটি

গভীর সমুদ্রে মাছ ধরবে সরকার, খরচ ৬১ কোটি

আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের সীমানা নির্ধারিত হওয়ায় এক লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার এলাকায় মৎস্য আহরণে আইনগত ও ন্যায়সঙ্গত অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিশাল এ সামুদ্রিক সম্পদ কাজে লাগাতে যাচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় গভীর সমুদ্র ও আন্তর্জাতিক জলসীমায় অনাহরিত টুনা ও সমজাতীয় মাছ ধরা হবে। এর মাধ্যমে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার অভিজ্ঞতা হবে। পাশাপাশি তৈরি হবে গভীর সমুদ্র থেকে টুনা ও সমজাতীয় মাছ ধরার প্রশিক্ষিত ও দক্ষ জনবল। টুনা ও সমজাতীয় মাছ ধরায় বেসরকারি বিনিয়োগকেও উৎসাহিত করা হবে প্রকল্পের মাধ্যমে।

এসব উদ্দেশ্যে নেয়া প্রকল্পটির নাম ‘গভীর সমুদ্রে টুনা ও সমজাতীয় পেলাজিক মাছ আহরণে পাইলট প্রকল্প।’ প্রকল্পটি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মৎস্য অধিদফতর বাস্তবায়ন করবে। এতে খরচ হবে ৬১ কোটি ৬ লাখ টাকা। এর পুরো অর্থ দেবে সরকার। ২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে।

প্রকল্প বাস্তবায়নে তিনটি লং লাইনার প্রকৃতির ফিসিং ভেসেল ক্রয় ও পরিচালনা, টুনা ও সমজাতীয় পেলাজিক মৎস্য আহরণ, গভীর সমুদ্রে মাছ আহরণের কর্মকৌশল ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, ক্রুসহ টুনা আহরণে নিয়োজিত ১০০ জনকে প্রশিক্ষণ এবং ৩৭ দেশি ও সাতজন আন্তর্জাতিক পরামর্শক নিয়োগ করা হবে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) একনেকে প্রকল্পটি উঠতে পারে। ইতিমধ্যে প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে পরিকল্পনা কমিশন।

মৎস্য অধিদফতর সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের সীমানা নির্ধারিত হওয়ায় এক লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় মৎস্য আহরণে আইনগত ও ন্যায়সঙ্গত অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের ক্ষুদ্রায়তন মৎস্য সেক্টরের মাধ্যমে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ আহরণ প্রধানত সাগরের অগভীর অঞ্চলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। অনেক ক্ষেত্রেই মৎস্য সংরক্ষণ আইন সঠিকভাবে প্রতিপালিত হয় না। যাতে করে মৎস্য মজুদে কিশোর মাছ প্রবেশন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ইতিমধ্যে মৎস্য আহরণ চারটি ফিসিং গ্রাউন্ডের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখেছে আধুনিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রলার।                                                                                                                                                                           অথচ দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে মৎস্য সেক্টরের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় প্রায় ৬০ শতাংশ আমিষের যোগান দেয় মাছ। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ এর তথ্যমতে, দেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির ৩ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং মোট কৃষিজ আয়ের প্রায় এক-চতুর্থাংশ (২৫ দশমিক ৭১ শতাংশ) মৎস্যখাত থেকে আসে। বিগত ১০ বছরে এ খাতে গড় জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ৫ দশমিক ২৬ শতাংশ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved © 2017 doorbin24.Com