Notice :
Welcome To Our Website...
ক্ষমতা হারালে জেলে যাওয়ার ভয়ে ট্রাম্প!

ক্ষমতা হারালে জেলে যাওয়ার ভয়ে ট্রাম্প!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্টে নির্বাচনে জয়ের দোরগোড়ায় ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউজে যাওয়া সময়ের ব্যবধান মাত্র। এর মধ্যে বেশ ভয়ে রয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ক্ষমতা হারানোর পর ট্রাম্পের বিরুদ্ধে হতে পারে ধর্ষণসহ বিভিন্ন মামলা। এগুলোর কারণে হতে পারে জেলও। আর এমন ভয় থেকে ভোট চুরির অভিযোগ করছেন তিনি।
পার্সটুডের খবরে বলা হয়, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে কয়েকটি মামলা রয়েছে। প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাহী ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে সেগুলো ঠেকিয়ে রেখেছেন তিনি। কিন্তু প্রেসিডেন্ট পদ হারানোর এ ক্ষমতা থাকবে না তার।
 
সূত্রের বরাত দিয়ে দ্যা ডেইলি মিরর জানিয়েছে, ট্রাম্প এখন যে ভোট চুরি অভিযোগ তুলছেন তার একটি কারণ হল জেলে যাওয়ার ভয়।
 
মার্কিন সাবেক ফেডারেল প্রসিকিউটর হ্যারি স্যান্ডিক বলেন, ট্রাম্প হোয়াইট হাউজ ছেড়ে যাওয়ার পর প্রসিকিউটর ও সাক্ষীদের পক্ষে মামলা চালিয়ে যাওয়া সহজ হবে। ফৌজদারি মামলায় আদালতে হাজির হওয়ার জন্য উচ্চতর সুরক্ষা দাবি করতেন ট্রাম্প। কিন্তু তখন প্রেসিডেন্টের এমন দাবি তিনি করতে পারবেন না।গত বছর সেপ্টেম্বরে প্রেসিডেন্টের আইনজীবী দল ম্যানহাটন অ্যাটর্নি কার্যালয়ের আদালতে হাজিরার একটি আদেশ প্রত্যাহারের চেষ্টা চালায়। এতে ট্রাম্পের আট বছরের কর নিয়ে শুনানি চলছে। প্লেবয় মডেল কারেন ম্যাকডোগাল ও পর্নতারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে অর্থ দেওয়ার অভিযোগের ক্ষেত্রে ট্রাম্প অর্গানাইজেশন নথি জালিয়াতি করেছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছে নিউ ইয়র্কের আইনজীবীরা।

খবরে বলা হয়, এছাড়াও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মামলা। শুধু ধর্ষণ মামলাই রয়েছে কয়েকটি। ক্ষমতা হারালে তার বিরুদ্ধে কয়েকজন নারীর যৌন নিপীড়নের মামলার পথও উন্মুক্ত হবে। এদের মধ্যে রয়েছেন লেখক ই জিন ক্যারল ।

ই জিন অভিযোগ করেছেন, ১৯৯০ দশকের মাঝামাঝিতে ম্যানহাটনের বার্গডর্ফ গুডম্যান ডিপার্টমেন্ট স্টোরের ট্রায়াল রুমে তাকে ধর্ষণ করেছেন ট্রাম্প। অভিযোগের বিষয়ে ট্রাম্প বলেছেন, তিনি আমার টাইপের না। ক্যারলের ধর্ষণের মামলায় ডিএনএ নমুনা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ট্রাম্প।

সামার জারভোস নামের আরেক শিক্ষানবিশের মামলাও শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। ২০১৬ সালের নির্বাচনের আগে তিনি অভিযোগ করেছেন, ২০০৭ সালে ট্রাম্প তাকে যৌন নিপীড়ন করেছেন। এই অভিযোগকে কাল্পনিক বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প।

তবে সবচেয়ে বড় গুরুতর ও দ্রুত বিপদ নিয়ে আসতে পারে ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা। এই মামলায় ট্রাম্প দায়িত্বে থাকা সময়ের। প্রসিকিউটররা বাণিজ্যিক লেনদেন ও করের নথি চাইলেও ট্রাম্প তা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছেন।

অন্তত পাঁচটি ক্ষেত্রে আদালত বলেছেন, এই অনুরোধ বৈধ। আরেকবার ক্ষমতায় থাকলে এসব মামলা চালিয়ে নেওয়ার পথ হয়তো চিরতরে বন্ধ করার পরিকল্পনা ছিল ট্রাম্পের। কিন্তু সে সময় হয়তো তিনি আর পাচ্ছেন না।

পার্সটুডে বলছে, পরাজিত হলেও ২০ জানুয়ারি জো বাইডেন শপথ গ্রহণের আগে যে কোনও ফেডারেল অপরাধ থেকে নিজেকে দায়মুক্ত করতে শেষ দিনগুলো কাজে লাগাবেন ট্রাম্প। এ কারণে ক্ষমতায় ছাড়ার পর বড় ধরণের জেল-জরিমানার আশঙ্কায় ভয়ে আছেন বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved © 2017 doorbin24.Com