Notice :
Welcome To Our Website...
করোনা টিকার পাইপ লাইনে বাংলাদেশ : জলঘোলা করছে একটি চক্র

করোনা টিকার পাইপ লাইনে বাংলাদেশ : জলঘোলা করছে একটি চক্র

মোশাররফ হোসেন : করোনা মহাদূর্যোগে মহাউদ্যোগ নেবার পরও টিকার সরবরাহ নিয়ে সোমবার বাংলাদেশ ও ভারতের মিডিয়া ছিল সরব । আবার দুই দেশের সরকার সতর্কতার সাথে বিষয়টি সমাধান করলে মিডয়া নীরব হয়ে যায় । এর পেছেনে ছিল একটি চক্র ।

কী ঘটেছিল ।বাংলাদেশ ও ভারত সরকারে মধ্যে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুজীব বিজ্ঞানীদের আবিস্কৃত করোনা নিরাময়ে অ্যাস্ট্রাজেনকা টিকা পাবার একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি হয় ডিসেম্বর মাসে ।অ্যাস্ট্রাজেনকা ভারতীয় প্রতিনিধি হলো সিরাম ইনস্টিটিউট । বাংলাদেশে টিকা রফতানির জন্য তারা বেক্সিমকোর সাথে চুুিক্তি করে।আন্তর্জাতিক চুক্তি হয় দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেদ্র মোদীর ভারচুয়াল সভায় । চুক্তির শর্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ জানুয়ারি মাসে টিকা পাওয়ার কথা । যুক্তরাজ্য ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদনের পর তার ট্রায়াল শেষে যুক্তরাজ্যে তা দেয়া শুরু হয় নতুন বছরের সূচনায় । এরপর সেরাম ইনস্টিটিউট টিকা পাবার অপেক্ষায় রয়েছে । তারা ১৫ জানুয়ারির মধ্যে টিকা পাওয়ার কথা । সে অনুযায়ী বাংলাদেশ পাইপলাইনে রয়েছে ।

কিন্তু সিরাম ইনস্টিটিউটের সিইও আধার পুনরাওয়ালার সঙ্গে টিকা বিষয়ে কথা বলে ভারতে কর্মরত রয়টার্স ও এপির প্রতিনিধি । পুনারাওয়ালা তাদের টিকা রফতানি প্রসঙ্গে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে বলে জানান । তবে সেটা বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে । সিরাম ইনস্টিটিটিউট টিকা প্রস্তুকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্বে খ্যাতি আছে । তাদের কর্মপদ্ধতিতে বাণিজ্যিক সুযোগ কম । আভ্যান্তরিন ক্ষেত্রে এটা কার্যকর । আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নয় । তারা জি টু জি পদ্ধতিতে কাজ করে । তার বরাতে সংবাদ প্রচারের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের পরাষ্ট্রমন্ত্রী ,চুক্তি স্বাক্ষরকারি দুই স্বাস্থ্য সচিব , সিরাম ও বেক্সিমকো বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য দেয় ।

আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ যথাসময়ে টিকা পাবে বলে পরদিনই মিডিয়াকে অবহিত করে । সংবাদটি মিডিয়ায় আসার পর ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিরোধ সৃস্টিতে তৎপর দেশী ও বিদেশী চক্র নীরব হয়ে যায় ।

এদিকে বাংলাদেশ সেরাম থেকে পাবে ৩কোটি ডোজ অ্যাস্ট্রাজেনকা টিকা । এজন্য ১২ কোটি টাকা দেবে । যার অগ্রিম টাকা জমা হয়ে গেছে । বাকী টাকা সরবরাহের আগে দেয়া হবে বলে সচিব জানিয়েছেন ।

এছাড়া ভারতের কোভাক্স টিকা মিলে বাংলাদেশ ২০কোটি টাকা ব্যায় করবে । মোট চাহিদার ৪০ ভাগ টিকা আসবে ভারত থেকে । তবে ভারত অনুদান হিসেবেও টিকা দেবে ।ফেব্রুয়ারি থেকে জুন মাসের মধ্যে এসব টিকার ব্যবস্থা করা হয়েছে ।

অন্যান্য দেশের টিকা আসবে :এছাড়া চীন , রাশিয়া ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গ্লোবাল এলায়ান্স থেকে টিকার জন্য চাহিদা দেয়া হয়েছে বলে স্বাস্থ্য দফতরের মহাপরিচালক খোরশেদুল আলম মিডিয়াকে জানিয়েছেন ।সবার সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে বলে তিনি জানান । বাংলাদেশ বিভিন্ন দেশ থেকে সব মিলে ১৩ কোটি ডোজ টিকা পাওয়ার আশা করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 doorbin24.Com