Notice :
Welcome To Our Website...
এনবিআরকে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির তাগিদ অর্থমন্ত্রীর

এনবিআরকে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির তাগিদ অর্থমন্ত্রীর

মোঃ আনিসুর রহমান : কর আদায়ে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রতি তাগিদ দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এক্ষেত্রে কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি আছে স্বীকার করে তিনি বলেন, ‌‘চেষ্টা চলছে যাতে ব্যবসাবান্ধব করা যায়। ব্যবসায়ীদের সহায়তা করা গেলে এনবিআর শক্তিশালী হবে, রাজস্ব আদায়ও বাড়বে।’
 
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় রাজস্ব ভবনে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে (ভার্চুয়ালি) তিনি এসব কথা বলেন।
 
অর্থমন্ত্রীর মতে, ‘সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এনবিআর নিয়ে। আপনাদের (এনবিআর কর্মকর্তাদের) ব্যবসায়ীদের চাহিদা পূরণ করতে হবে। তাহলে ব্যবসায়ীরাও এনবিআরের চাহিদা পূরণ করবে।’ একই সঙ্গে রাজস্ব আদায়ের বিষয়টিও মাথায় রাখার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, ‘কেবল ব্যবসায়ীরা জিতবে আর এনবিআর ঠকবে-তাও হবে না। তাদেরকেও (ব্যবসায়ীদের) দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে।’বিগত বছরগুলোতে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস উপলক্ষ্যে আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হলেও করোনা ভাইরাসের মহামারি পরিস্থিতিতে এবার অনেকটা অনাড়ম্বরপূর্ণভাবেই দিবসটি পালন করে এনবিআর।এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের সভাপতিত্বে সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি ফজলে ফাহিম।

রাজস্ব ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে গুরুত্ব দিয়ে অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, এটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে জিডিপিতে রাজস্বের অবদান বাড়বে। তবে সরকারি প্রকল্পের ব্যয়ে যে রাজস্ব ছাড় দেওয়া হয়, তা হিসাবভুক্ত হলে রাজস্বের পরিমাণ আরও বেশি দেখা যাবে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী এসব ছাড়ের আলাদা হিসাব রাখার ওপর গুরুত্ব দেন।

তিনি বলেন, গত পাঁচ বছরে ১৪ থেকে ১৫ শতাংশ হারে রাজস্ব আদায় বেড়েছে। এটি আরও ১০ শতাংশ হারে বাড়ানো যায়। তবে আমদানিকৃত পণ্য সঠিকভাবে পরীক্ষা করতে না পারার বিষয়টি উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আরও বেশি মেশিন (স্ক্যানার) বসানো হবে বলে জানান। একই সঙ্গে দেশের সব শুল্ক স্টেশনে একটি সমন্বিত ব্যবস্থা চালু করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

আলোচনায় এনবিআর চেয়ারম্যান ২ লাখ টাকার ওপরে শুল্ককর ইপেমেন্টের মাধ্যমে পরিশোধ বাধ্যতামূলক করার তথ্য জানিয়ে বলেন, এ লক্ষ্যে সফটওয়্যার তৈরি হয়ে গেছে। আগামী পহেলা এপ্রিল থেকে কমলাপুর আইসিডি কাস্টম হাউজে এটি শুরু হচ্ছে। দেশব্যাপী শুরু হবে জুলাই থেকে। এছাড়া স্ক্যানার কেনার কাজ চলছে। এটি দ্রুত বাস্তবায়ন করা হলে পণ্য খালাসে গতি বাড়বে।

অনুষ্ঠানে রাজস্ব আদায়ে বিশেষ অবদান রাখায় তিনটি প্রতিষ্ঠান ও করোনায় মারা যাওয়া এনবিআর কর্মকর্তাদের ডব্লিওসিও মেরিট অব মেরিট প্রদান করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved © 2017 doorbin24.Com